বাংলায় আর্টিকেল লেখার সহজ ও কার্যকারী নিয়মসমূহ
একটি ভালো আর্টিকেল শুধু তথ্য প্রদান করে না বরং পাঠকের আগ্রহ ধরে রাখে এবং তাকে
নতুন কিছু শেখায়। আপনি যদি জব নিউজ ওয়েবসাইট বা ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে বাংলা
লিখতে চান তাহলে কিছু সহজ নিয়ম অনুসরণ করলে মানসম্মত লেখা তৈরি করা সম্ভব।অনেকেই
আর্টিকেল লিখাকে কঠিন মনে করে ভয় পাই ।
চিন্তার কিছু নেই আমার এই আর্টিকেলটিতে আপনাকে গাইড করব যে কিভাবে SEO বান্ধব ও
আকর্ষণীয় করে আর্টিকেল লিখা যাই 😊🙂।আমার গাইডলাইন অনুযায়ী আপনি যদি আর্টিকেল
লিখেন তাহলে ভালো আউটপুট পাবেন আশা করা যাই।
সুচিপত্রঃবাংলায় আর্টিকেল লেখার সহজ
ও কার্যকারী নিয়মসমূহ
- আর্টিকেল লেখার জন্য কিওয়ার্ড কতটা গুরুত্বপূর্ণ
- টপিক সিলেক্ট করে রিসার্চ করুন
- লোভনীয় টাইটেল ব্যবহারের চেষ্টা করুন
- মেটা ডিসক্রিপশন এর দিকে গুরুত্ব দিন
- সহজ এবং বোধগম্য ভাষায় লিখুন
- সকালে লেখার চেষ্টা করুন
- নিরিবিলি পরিবেশ খুঁজে লিখুন
- আর্টিকেলে এক কথা বারবার উল্লেখ করবেন না
- ১০০% ইউনিট করে আর্টিকেল লিখুন
- প্রতিদিন লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন
- সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য দিন
- ছবি অথবা ভিডিও ব্যবহার করুন
- শেষে সংক্ষিপ্ত ও তথ্যবহুল উপসংহার লিখুন
- এটি প্রকাশের আগে পুরো লেখাটি পড়ে যাচাই করুন
- লেখক এর শেষ কথাঃ
আর্টিকেল লেখার জন্য কিওয়ার্ড কতটা গুরুত্বপূর্ণ
আর্টিকেল লিখতে হলে প্রথমে আমাদের কোন একটি টপিক খুঁজে বের করার লাগে।
যেমন আপনি কোন বিষয়ে লিখতে চাচ্ছেন বা কোন বিষয়টি আপনি টাইটেলে বসাবেন।
সহজ ভাবে যদি বলি তাহলে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য পাঠকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বা
গুগলে গিয়ে যে লাইনটি লিখে বা যে সম্পর্কে লিখে সার্চ দেবে এটাই মূলত
কিওয়ার্ড।
কিওয়ার্ড দুই ধরনের হতে পারে একটি হচ্ছে লং টেইল (long tail keyword) কিওয়ার্ড
অপরটি হচ্ছে শর্ট টেইল(short tail keyword) কিওয়ার্ড। লং টেইল কিওয়ার্ড এর
মধ্যে ওয়ার্ডের সংখ্যা বা শব্দ সংখ্যা ৮ টি বা তার বেশি হবে । অন্যদিকে শর্ট
টেইল কিওয়ার্ড এ শব্দ সংখ্যা সাধারণত ১ থেকে ৭ অথবা ৮ এর মধ্যে
হবে।
উদাহরণঃশর্ট (ছোট) টেইল কিওয়ার্ড
১. আরবি নাম ক্যালেন্ডার
২ .ইংরেজি নাম ক্যালেন্ডার
৩.পড়াশোনার পাশাপাশি কিভাবে ইনকাম করা যায়
উদাহরণঃ লং (বড়) টেইল কিওয়ার্ড
১. পড়াশোনার পাশাপাশি আর্টিকেল লিখে কিভাবে সহজে ইনকাম করা যায়
২.পড়াশোনা করা অবস্থায় অল্প পুঁজিতে কি কি বিজনেস করে লাভবান হওয়া যাবে
টপিক সিলেক্ট করে রিসার্চ করুন
আপনি কোন টপিকের উপর লিখতে চাচ্ছেন বা যে কিওয়ার্ডটি আপনি সিলেক্ট
করছেন আর্টিকেল লেখার জন্য সে কি ওয়ার্ড এর উপরে রিসার্চ করুন। একটি আর্টিকেল
লেখার জন্য অনেক তথ্যের প্রয়োজন হয় ।যেগুলা রিসার্চ না করে নিজের চিন্তা
ভাবনা থেকে লেখা অনেক কঠিন হয়ে যায়। তাই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বা গুগলের
গিয়ে আপনার টপিকটির উপরে সার্চ দিন এবং সেখান থেকে বিভিন্ন পেজে গিয়ে তথ্য
সংগ্রহ করুন।
কমপক্ষে আপনাকে ভালো তথ্য সংগ্রহ করার জন্য ৭ থেকে ১০ টি ওয়েবসাইট ভিজিট করতে
হবে। আর যদি কিওয়ার্ডটি সম্পর্কে আপনার আগে থেকে ধারণা থাকে তাহলে আপনার পছন্দমত কয়েকটি
ওয়েবসাইট ভিজিট করে লিখতে পারেন। আপনার যদি চিন্তাভাবনা থাকে যে আপনার
আর্টিকেলটি গুগলে ভালো একটি পজিশনে নিয়ে যেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই
তথ্যবহুল আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করতে হবে।
লোভনীয় টাইটেল ব্যবহারের চেষ্টা করুন
আর্টিকেল লিখতে হলে প্রথমেই আমাদের যেটি লাগে সেটি হচ্ছে টাইটেল। অর্থাৎ
পাঠকরা যেটি লিখে জানার জন্য সার্চ দিবে সেটি হচ্ছে আপনার আর্টিকেল এর টাইটেল ।
এই টাইটেলটি যদি সুন্দরভাবে গুছিয়ে এবং আকর্ষণীয় ও লোভনীয় করে লিখতে পারেন
তাহলে পাঠকরা আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবেই।
আপনি আর্টিকেল লিখছেন অনেক তথ্য দিয়ে কিন্তু আপনার টাইটেল সুন্দর হয়নি
বা পাঠকদের আকর্ষণ করতে পারছে না তাহলে আপনি আর্টিকেলের পেছনে যে সময়গুলো
ব্যয় করেছেন সবগুলাই বৃথা মনে হবে।তাই আর্টিকেল লেখার আগে প্রথমে নজর দিন
টাইটেলের দিকে ।একটি সুন্দর টাইটেল আপনারা আর্টিকেল কে সুন্দর করে তুলতে
সাহায্য করে।
মেটা ডিসক্রিপশন এর দিকে গুরুত্ব দিন
মেটা ডিস্ক্রিপশন বলতে সাধারণত বোঝায় কোন ব্লক পোস্ট বা ওয়েবসাইটের সংক্ষিপ্ত
বিবরণ। এটি মূলত সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফল অর্থাৎ টাইটেল এর নিচে প্রদর্শিত হয়।
এটি মূলত আপনার আর্টিকেল সম্পর্কে ধারনা দিবে যে আপনার আর্টিকেলে বা
ওয়েবসাইটে কেমন তথ্য দেওয়া আছে ।
একটি আকর্ষণীয় মেটা ডিস্ক্রিপশন পাঠকদের বা ব্যবহারকারীদের না ওয়েবসাইটে ক্লিক
করতে উৎসাহিত করবে। আর আপনার ওয়েবসাইটে ক্লিকের সংখ্যা যত বেশি হবে তত
আপনার পারফরম্যান্স ভালো হবে। এটি আপনাকে গুগলে ভালো একটি র্যাংকিংয়ে নিয়ে
যেতে সাহায্য করবে। তাই ভালো একটি আর্টিকেল লিখার জন্য এবং আপনার ভালো
পারফরম্যান্স এর জন্য মেটা ডিস্ক্রিপশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সহজ এবং বোধগম্য ভাষায় লিখুন
আর্টিকেলের মধ্যে সহজ এবং শুদ্ধ ভাষা ব্যবহার করুন। যেন আপনার আর্টিকেলটি
মানসম্মত হয়। সহজ এবং শুদ্ধ ভাষা ব্যবহারে পাঠকদের আপনার আর্টিকেলটি পড়ে বুঝতে
সুবিধা হবে ।আপনি যদি বাংলায় আর্টিকেল লিখেন তাহলে বাংলা শুদ্ধ ভাষা ব্যবহার
করুন যেগুলো ব্যবহারে সকল মানুষ বুঝতে পারবে।
আর আপনি যদি ইংরেজিতে আর্টিকেল লিখতে চান তাহলে আপনার ভালোভাবে ইংরেজি শেখা
উচিত। এমনভাবে ইংরেজি সেন্টেন্স বা বাক্য লিখুন যেগুলা পাঠকদের বোধগম্য হবে।
সহজ শব্দ ব্যবহার করুন যেন সকল ধরনের পাঠকরা আপনি আর্টিকেলে কি বুঝাতে
চাচ্ছেন তা সঠিকভাবে বুঝতে পারে।
সকালে লেখার চেষ্টা করুন
এখন অনেকেই ভাববেন যে আর্টিকেল তো যখন তখন লিখলেই হলো সকালেই কেন লিখতে হবে।
সকালেই যে আর্টিকেল লিখতে হবে অন্য সময় লেখা যাবে না বিষয়টা এমন না। সকালে
লিখতে বলার কারণ হচ্ছে সকালে যে কোন মানুষের ব্রেইন ফ্রেশ থাকে। এই বিষয়টা
অনেকেই হালকা ভাবে নেয় কিন্তু একটি স্টাডিতে দেখা গেছে যে বেশিরভাগ আর্টিকেল
রাইটার বা প্রফেশনাল রাইটাররা সকালেই আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করে ।কারণটা নিশ্চয়ই
বুঝতে পারছেন- কারণটি হচ্ছে এই সময় চারিদিকের প্রকৃতি ঠান্ডা থাকে আপনার ব্রেন
অনেক ফ্রেস থাকবে। আপনাকে নতুন নতুন চিন্তা ভাবনা এনে দিবে।
অন্য সময় আপনি চিন্তা-ভাবনা করে যে আউটপুটটি নিয়ে আসতে পারবেন সকালে সেই একই
চিন্তাভাবনা করে আপনি তার চেয়ে ভালো আউটপুট নিয়ে আসতে পারবেন কারণ সারারাত
ঘুমিয়ে ভরে অথবা সকালে আমাদের আমাদের ব্রেন সতেজ থাকে তখন যেকোনো
তথ্য নিয়ে চিন্তাভাবনা করলে আউটপুট ভালো আসবে।
নিরিবিলি পরিবেশ খুঁজে লিখুন
কোলাহলপূর্ণ স্থানে আর্টিকেল লেখা সম্ভব নয় কারণ আর্টিকেল লিখতে অনেক
চিন্তাভাবনা করতে হয় অনেক তথ্যের প্রয়োজন হয়। যেগুলা আপনি
হইচই পূর্ণ জায়গায় করতে পারবেন না। এজন্য আপনাকে একটি নিরিবিলি পরিবেশ
খুঁজে বের করতে হবে যেখানে আপনি সহজেই আর্টিকেল লিখতে পারবেন।
কোলাহলপূর্ণ স্থানে লিখতে বসলে তার মন এদিকে ওদিকে যাবে ফলে আপনি ভালোভাবে
আর্টিকেল লেখার উপর মনোযোগ দিতে পারবেন না।আর এমন হলে আউটপুট ভালো হবে না। তাই
যখন আপনি আর্টিকেল লিখবেন তখন একটি নিরিবিলি পরিবেশ নির্বাচন করুন।
অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস বন্ধ রাখুন সম্পূর্ণ মনোযোগ লিখার উপরে দিন দেখবেন ভালো
আউটপু বের হবে।
আর্টিকেলে এক কথা বারবার উল্লেখ করবেন না
আপনি যখন আর্টিকেল লিখবেন তখন মাথায় রাখবেন যে সব সময় আপনার লেখাগুলো আকর্ষণীয়
হতে হবে যেন পাঠকরা আর্টিকেলটি পড়ে বুঝতে পারে। আর্টিকেলের মধ্যে অহেতুক
কোন কথা লেখা যাবে না এতে করে পাঠকরা বিরক্ত হতে পারে।
আবার অনেকেই আছে যারা আর্টিকেল বড় করার জন্য বারবার এক কথা উল্লেখ করেন।
বিশ্বাস করেন এটি আপনার আর্টিকেল এর উপর নেগেটিভ প্রভাব ফেলে। পাঠকরা যখন আপনার
আর্টিকেলটি পড়বে তারা নিশ্চয়ই বুঝতে পারবে যে আপনি এক কথা বারবার রিপিট করেছেন
তখন তাদের আর্টিকেলটি পড়তে বিরক্ত লাগবে বা আগ্রহ কমে যাবে ।অতএব আর্টিকেলের
মধ্যে এক কথা বারবার উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকুন ।এতে করে একটি ভালো মানের
আর্টিকেল লিখতে পারবেন।
১০০% ইউনিট করে আর্টিকেল লিখুন
১০০% ইউনিক বলতে বোঝানো হয়েছে আপনার মত করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করুন। যদি
আপনি কপি করে আর্টিকেল লিখে গুগলে আপনার ওয়েবসাইট রান করাতে চান তাহলে বলবো
আপনি ভুল জগতে আছেন। কপি করে আর্টিকেল লিখলে আপনার ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
কপিরাইট করলে গুগলের প্লাগারিজম ওয়েবসাইট অনেক সহজেই ধরে ফেলবে। পরে আপনার
ওয়েবসাইটটি হুমকির মুখে পড়তে পারে। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে কোন ক্লায়েন্ট
যদি আপনাকে কাজ দেয় এবং আপনি যদি কপিরাইট করে আর্টিকেল লিখে দেন আর যদি
ক্লাইন্ট একবার বুঝতে পারে যে আপনি কপিরাইট করে তার কাজ করে দিয়েছেন তাহলে
ভবিষ্যতে আর কখনো কাজ পাবেন না। আপনার উপর থেকে বিশ্বাস উঠে যাবে। তাই চেষ্টা
করুন আপনি যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখতে চান সেই বিষয়ে বেশি বেশি রিসার্চ করে তথ্য
বের করার। এতে করে কপিরাইট হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
প্রতিদিন লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন
আর্টিকেল লেখার সেক্টরে যারা আছেন তারা জানেন যে আর্টিকেল লেখা অতটাও সহজ নয়।
আর্টিকেল লিখতে অনেক তথ্যের প্রয়োজন পাশাপাশি অনেক ধৈর্যেরও প্রয়োজন রয়েছে।
আপনি যদি মনে করেন যে এক সপ্তাহ পর পর এক দুই ঘন্টা ব্যয় করে আর্টিকেল
লিখবেন তাহলে আপনার জীবনে ভালো কিছু করা সম্ভব নয়।
কারণ আর্টিকেল লিখতে যেহেতু ধৈর্যের প্রয়োজন হয় তাই আপনি যদি প্রতিদিন লিখার
অভ্যাস গড়ে তুলেন তাহলে আপনার ধৈর্য বাড়বে আপনি এই সেক্টর সম্পর্কে আরো
জানবেন আর ভবিষ্যতে এটি আপনাকে সফলতার দিকে নিয়ে যাবে। তাই আর্টিকেল লেখা কে
হালকা ভাবে না নিয়ে প্রতিদিন লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন এতে করে আপনার অনেক
প্র্যাকটিস হবে ।আপনার স্কিল ইমপ্রুভ হবে ।
সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য দিন
আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে এবং নির্ভুল তথ্য দেওয়া আবশ্যক আবশ্যক। পরবর্তীতে তারা
কারণ পাঠকরা আপনার ওপর বিশ্বাস করে আপনার আর্টিকেলটি পড়বে পরবর্তীতে যদি তারা
জানতে পারে যে আপনার আর্টিকেলে আপনি ভুল তথ্য দিয়েছেন এতে করে পাঠকের বিশ্বাস
নষ্ট হবে। এতে করে তারা পরবর্তীতে আর্টিকেল পড়ার জন্য আপনার ওয়েবসাইট কে
আর বিশ্বাস করবে না।
সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আপনি যখন ক্লায়েন্টের থেকে কাজ নিবেন তখন যদি আপনি
তার কাজের মধ্যে ভুল তথ্য দেন তাহলে নিশ্চয়ই সে ক্লাইন্ট আপনাকে পরবর্তীতে আর
কাজ দেবে না ।তাই ভুল অথবা অহেতুক তথ্য দিয়ে আপনার আর্টিকেল লিখবেন না। আপনি
যেটা জানেন না সেটা সম্পর্কে রিসার্চ করুন তারপরে লিখুন। এতে করে পাঠকদের বিশ্বাস
বাড়বে এবং আপনি ভবিষ্যতে ভালো কিছু করতে পারবেন।
ছবি অথবা ভিডিও ব্যবহার করুন
আর্টিকেল লেখার জন্য শুধু তথ্য যথেষ্ট নয়। আপনার আর্টিকেলকে সুন্দর করার জন্য
আর্টিকেলের মধ্যে ছবি অথবা ভিডিও ব্যবহার করুন। এতে করে আপনার আর্টিকেলের মান
ভালো হবে। পাঠকরা পড়তে আগ্রহবোধ করবে ।ফলে আপনার ওয়েবসাইটে ক্লিক এর সংখ্যা
বারবে।
আর্টিকেল রেলেটেড ছবি বা ভিডিও দিয়ে আর্টিকেল লিখলে পাঠকদের বুঝতে সহজ হবে। ভিডিও
যদি নাও দেন তাও আপনার ছবি সবনিম্ন ১ টি দাওয়া উচিত ।এতে করে গুগল আপনার
আর্টিকেলকে ভালো রাঙ্কিং এ নিয়ে যাবে।আপনার
You tube বা
Facebook এ যদি অ্যাকাউন্ট থাকে তাহলে সেখানকার
ভিডিও শেয়ার করতে পারেন আর্টিকেল এর মধ্যে। এতে করে আপনার ফলোয়ার বাড়বে ও পরিচিতি
পাবেন সহজেই।
শেষে সংক্ষিপ্ত ও তথ্যবহুল উপসংহার লিখুন
আপনার আর্টিকেল লিখা শেষ এ আপনার মন্তব্য লিখুন।আপনি পুরো আর্টিকেলটি সংক্ষিপ্ত
ভাবে উপস্থাপন করতে উপসংহার বা লেখকের মন্তব্য লিখে এর মধ্যে লিখুন। পাঠকদের কোন
কিছু জানার থাকলে কমেন্ট এ জানতে চান বা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করতে বলুন ।পাঠকদের
উৎসাহিত করুন আপনার আর্টিকেলটি পড়তে ও শেয়ার করতে।
কথাই আছে যে-"শেষ ভালো যার সব ভালো তার "এই কথাটি বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে পুরো
আর্টিকেল সুন্দরভাবে উপস্থাপন করলেই হবেনা আপনার শেষ টা আকর্ষণীয় ও পাঠকদের কাছে
বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে।তাই শেষ এ সংক্ষিপ্ত ও তথ্যবহুল উপসংহার লিখা অবশ্যক
।
এটি প্রকাশের আগে পুরো লেখাটি পড়ে যাচাই করুন
প্রকাশ করার আগে পুরো লেখাটি একবার পড়ে বানান, ব্যাকরণ ও টাইপিং এর ভুলগুলো
ঠিক করুন।
আপনি আর্টিকেল এর মধ্যে অহেতুক বা এক কথা বার বার লিখেছেন নাকি দেখুন। যদি থাকে
তাহলে বাদ দিন কারন পাঠকরা এমন আর্টিকেল পরতে বিরক্ত হন।
আপনি অতিরিক্ত লিংক ব্যাবহার করেছেন নাকি চেক করুন। লিংক যদি অন্য
ওয়েবসাইট বা অন্য পেজ এর হয় তাহলে কম করে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।কারন অন্য
ওয়েবসাইট বা অন্য পেজ এর লিংক বেশি ব্যবহার করলে আপনার ওয়েবসাইট থেকে
অন্য ওয়েবসাইট বা অন্য পেজ এ ভিজিটর বেশি হবে।
লেখক এর শেষ কথাঃ
একটি ভালো আর্টিকেল শুধু তথ্য দেয় না ,এর পিছনে লেখকের অনেক পরিশ্রম থাকে ।তাই
মানসম্মত মৌলিক এবং সহজ ভাষায় আর্লিটিকেল লিখুন যেন সকলের বুঝতে সহজ
হয়।আর্টিকেল লিখার সময় আমি ,আপনি, তুমি ভাষাগুলো এমন ভাবে উপস্থাপন করুন
যেন মনে হয় পাঠক আপনার সামনে আছে এবং আপনি তাকে বুঝিয়ে বলছেন আর্টিকেলটি।
টিপস; ব্লগার এ পোস্ট করার সময় শিরোনামকে H1,প্রধান অংশের শিরোনামগুলোকে
H2, এবং উপশিরনাম গুলোকে H3 হিসাবে ব্যবহার করলে পোস্ট আরো সুন্দর ও SEO-
বান্ধব হবে।আর্টিকেল এর মধ্যে দাড়ি,কমা,সেমিকলন,প্রশ্নবোধক চিহ্নর বাইরে অযথা
কিছু ব্যবহার না করাই উত্তম।

নুভিয়া নেস্ট নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url